২০২৬ সালের ১৯ জুলাই প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দালালমুক্ত নিরাপদ ব্যবস্থা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিএমইটি, বোয়েসেল, ডেমো অফিস, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ বিশেষ করে গ্রামীণ যুবকরা এখনো দালালের ওপর নির্ভরশীল। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালে ১১ লাখের বেশি কর্মী বিদেশে গেলেও সরকারি সংস্থা বোয়েসেলের মাধ্যমে গেছেন মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ, যা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সীমাবদ্ধতা নির্দেশ করে।
বিশ্বব্যাংক, সিপিডি ও আইটিইউসির তথ্য অনুযায়ী, তথ্যব্যবস্থার দুর্বলতা, মাঠপর্যায়ে সীমিত সক্ষমতা ও মৌখিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে দালালচক্র সক্রিয় থাকে এবং শ্রমিকরা অতিরিক্ত খরচ ও প্রতারণার শিকার হন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিবন্ধে প্রস্তাব করা হয়েছে দূতাবাসভিত্তিক শ্রমবাজার উন্নয়ন সেল, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের জন্য ওয়ান-স্টপ সহায়তা, কর্মদক্ষতাভিত্তিক প্রণোদনা এবং উপজেলা পর্যায়ে সমন্বিত সহায়তা কেন্দ্র গঠন।
এছাড়া খরচের স্বচ্ছতা, যাচাইকৃত চুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও স্বল্পসুদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। লেখকের মতে, রেমিট্যান্স আয়ের সামান্য অংশ এই খাতে বিনিয়োগ করলে শ্রমিকের নিরাপত্তা ও জাতীয় অর্থনীতি উভয়ই শক্তিশালী হবে।