Web Analytics
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেও চীন সরাসরি সামরিক সহায়তার পথে না গিয়ে নিজেদের জ্বালানি ও কূটনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, তেল আমদানিতে বিঘ্ন ঘটলেও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর ঝুঁকি নেবে না বেইজিং। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, তারা এই জলপথের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পারস্য উপসাগরজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। চীনের হাতে বর্তমানে প্রায় ১২০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে, যা সমুদ্রপথে আমদানি করা তেলের ১১৫ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। এই মজুত চীনকে স্বল্পমেয়াদি সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে এবং ৩১ মার্চ নির্ধারিত শি জিনপিং–ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈঠকের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিতে সুযোগ দেবে।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, চীন ইরানকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখে, সামরিক মিত্র নয়, এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বন্ধ হলে রাশিয়া বিকল্প তেল সরবরাহকারী হিসেবে লাভবান হতে পারে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।