ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন দাগনভূঞা থানা থেকে প্রত্যাহারের আদেশপ্রাপ্ত ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান। ১২ আগস্ট বুধবার বিচারকের এজলাসে হঠাৎ ঢুকে তিনি তিনবার স্যালুট দিয়ে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। পরিচয় জানার পর বিচারক বলেন, ওসির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই এবং আদালতের প্রত্যাহার আদেশ বহাল থাকবে। এরপর ওসি এজলাস ত্যাগ করেন।
আদালত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বিচারক এজলাসে ওঠার আগে ওসি দেখা করার অনুমতি চেয়েছিলেন। তবে অনুমতি ছাড়া বিচারকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা যাবে না বলে তাঁকে জানানো হয়। ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি ওসির এজলাসে প্রবেশের কথা শুনেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিচে নামার সময় ওসিকে হতাশ দেখাচ্ছিল এবং অসুস্থ বোধ করলে কয়েকজন তাঁকে সহায়তা করেন।
৯ আগস্টের আদালতের আদেশে ওসিকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। মারজাহানের যৌতুক-নির্যাতনের অভিযোগ ও তানিয়া আক্তারকে হত্যার অভিযোগে মামলা গ্রহণ না করার বিষয়টি আদালত গুরুতর বলে উল্লেখ করে। পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার জানান, আদেশের কপি পাওয়ার পর পুলিশ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে; প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।