রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি খাদ্যগুদামের বস্তা ছিদ্র করে চাল বের করে বিক্রি, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণ করে অর্থ আদায় এবং বন্ধ মিল-চাতাল সচল দেখিয়ে চাল কেনার অভিযোগ উঠেছে। ঊর্ধ্বতন খাদ্য কর্মকর্তারা জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং প্রয়োজনে পুনরায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গুদামকর্মী ও শ্রমিকদের দাবি, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ও ওসিএলডির নির্দেশে ৩০ কেজির বস্তা থেকে এক থেকে দেড় কেজি এবং ৫০ কেজির বস্তা থেকে দুই থেকে আড়াই কেজি চাল বের করা হতো। ডিলাররা বলেন, গুদাম থেকে যেভাবে বস্তা আসে সেভাবেই বিতরণ করেন। কয়েকজন উপকারভোগী ৩০ কেজির বস্তায় দুই থেকে তিন কেজি চাল কম পাওয়ার অভিযোগ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আটটি ডিলার পয়েন্ট নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিটি ১৫ হাজার টাকায় অন্যদের দিয়ে চাল বিতরণ করানো হয়। বন্ধ ১৮টি মিল-চাতাল ও একটি অটো রাইস মিল সচল দেখিয়ে বরাদ্দ অনুমোদনের অভিযোগও রয়েছে। বিপ্লব কুমার অভিযোগের জবাব না দিয়ে বলেন, তিনি সেখানে আর থাকতে চান না এবং বদলি চান। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালেহ আজিজ বলেন, কয়েকটি বিষয়ে আগে তদন্ত হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।