বাংলাদেশের প্রস্তাবিত অর্থবিল ২০২৬-এ তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আয়ের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরণের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত এই বিলের মাধ্যমে আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ২২-এ সংশোধন এনে এসব প্রতিষ্ঠানের কর-পরবর্তী মুনাফা রিটেইনড আর্নিংস বা রিজার্ভে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১০ শতাংশ কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দুই হাজার কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনী ব্যাংকের লভ্যাংশ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, যাতে তাদের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী হয়। নতুন প্রস্তাবে অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও একই ধরনের ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সাধারণ তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য কর গণনার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে, যেখানে মুনাফার ৭০ শতাংশ সীমা অতিক্রম করলে কেবল অতিরিক্ত অংশের ওপর ১০ শতাংশ কর দিতে হবে।
কর বিশেষজ্ঞ স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেছেন, এই পরিবর্তনে কোম্পানিগুলোর করের বোঝা কমবে, ব্যবসা পরিচালনার খরচ হ্রাস পাবে এবং পুনঃবিনিয়োগে উৎসাহ বাড়বে, পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মূলধন কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে পারবে।