বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, মাদরাসায় আলোচিত অনৈতিক ও জঘন্য ঘটনার অধিকাংশের জন্য অনুমোদনহীন ও মানহীন কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দায়ী। শনিবার তাঁর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অপকর্মে পুরো মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। অপরাধী শিক্ষককে রক্ষা করতে সত্য আড়াল করলে মাদরাসা ব্যবস্থার অপূরণীয় ক্ষতি হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাদরাসা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষকেই জোরালো ব্যবস্থা নিতে হবে, কারণ তাদের কর্মকাণ্ড পুরো ব্যবস্থার জনআস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। অনাচার প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে তিনি আগে ৩০ জনের বেশি শীর্ষ আলেমকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন এবং পরে জনসচেতনতার জন্য তা প্রকাশ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আবাসিক মাদরাসাগুলো লাখ লাখ এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল এবং দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
আহমাদুল্লাহ বলেন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও শীর্ষ আলেমদের প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও জনআস্থা রক্ষায় সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে; না হলে ইতিহাসের দায় তাদের নিতে হবে। টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি তদন্ত বা বিচার ছাড়া ক্ষোভ প্রকাশ এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেন। অভিযোগ প্রমাণের আগে কারও বিরুদ্ধে চড়াও হলে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের অপূরণীয় সম্মানহানি হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।