মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ জোরালো হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জনপ্রিয়তা কমা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে জনঅসন্তোষের মধ্যে আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বিষয়টি বড় রাজনৈতিক ইস্যু হতে পারে। ট্রাম্পের মেমকয়েন পরিচালনাকারী একটি ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ট্রাম্পের মালিকানাধীন ক্লাবে বড় বিনিয়োগকারীদের নৈশভোজের আয়োজন করার পর অভিযোগ নতুন করে সামনে আসে।
ট্রাম্প নিজেকে নৈতিকভাবে দায়িত্বশীল প্রেসিডেন্ট হিসেবে তুলে ধরে বলেছেন, তিনি দুই মেয়াদেই নিজের বেতন দান করেছেন। তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইংল অভিযোগগুলোকে দায়িত্বজ্ঞানহীন আখ্যা দিয়ে বলেন, ট্রাম্প সব সময় মার্কিন জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন। হোয়াইট হাউস ওষুধের দাম কমানো, ট্রাম্পআরএক্স ডটগভ চালু, অন্যায্য বাণিজ্য বন্ধ এবং প্রশাসনিক সংস্কারের পদক্ষেপের কথাও বলেছে।
নথি অনুযায়ী, গত বছর মেমকয়েন থেকে ট্রাম্প প্রায় ৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় করেছেন এবং দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরে বিভিন্ন ব্যবসা থেকে প্রায় ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার পেয়েছেন। পর্যবেক্ষকেরা ক্রিপ্টো, শেয়ার লেনদেন, প্রেডিকশন মার্কেট, রাজনৈতিক অনুদান, ক্ষমা প্রদান এবং পরিবারের প্রতিরক্ষা খাতের বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত গ্যালাপ জরিপে ৮৯ শতাংশ মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক সরকারি দুর্নীতি ব্যাপক বলে মত দেন।