আমার দেশ-এর একটি মতামত নিবন্ধে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের সমালোচনা করা হয়েছে। নিবন্ধ অনুযায়ী, একটি টেলিভিশন টকশোতে নুর ‘হু ইজ হাদি?’ প্রশ্ন করেন এবং শরীফ ওসমান হাদির কবর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পাশে দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন। লেখকের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পর হাদি আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের প্রতীকে পরিণত হন।
নিবন্ধে হাদির হত্যার পর দেশজুড়ে প্রতিক্রিয়া এবং সংসদ ভবনের সামনে তার জানাজায় বিপুল মানুষের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৭ বছর নির্বাসনের পর দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের পর হাদির কবর জিয়ারত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিমানবন্দরে হাদির মরদেহ গ্রহণ করেছিলেন বলেও লেখক উল্লেখ করেন।
লেখক ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন ও ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে নুরের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেছেন। একই সঙ্গে নুর ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের বদলিতে প্রভাব খাটানো এবং মতিঝিলে সম্পত্তি দখলের অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। নিবন্ধে এসব বিষয়কে লেখকের উত্থাপিত অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে; এগুলো স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্য হিসেবে দেওয়া হয়নি।