দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ঐতিহাসিক এক সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। মধ্যস্থতায় জড়িত একটি পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি এক পাতার হলেও এতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংঘাত শুরুর পর থেকে এটি দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়ের সমঝোতা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সম্ভাব্য এই চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কমানো এবং আগামী সপ্তাহগুলোতে বিস্তৃত আলোচনার কাঠামো নির্ধারণের বিষয় থাকতে পারে। দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে।
তবে পারমাণবিক কর্মসূচির সময়সীমা নিয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে। তবুও সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সম্ভাবনাময়।