২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ‘আমার দেশ অনলাইন’-এর এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি স্বাধীন ও স্থায়ী জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অগ্রগতি অর্জিত হলেও জাতির প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করছে শ্রেণিকক্ষের মানোন্নয়নের ওপর। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘনঘন নীতি পরিবর্তন, কারিকুলাম নিয়ে বিভ্রান্তি এবং শিক্ষার মানের অবনতি শিক্ষা ব্যবস্থাকে অস্থির করে তুলেছে। ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী জিডিপির ৪–৬% শিক্ষা খাতে বরাদ্দ থাকা উচিত হলেও বাংলাদেশে তা মাত্র ১.৭৬–২%।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষা বাজেটের বড় অংশ ব্যয় হয় ভবন নির্মাণ ও বেতন-ভাতায়, অথচ গবেষণা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল কনটেন্টে বরাদ্দ অপ্রতুল। তাই বিচ্ছিন্ন সংস্কারের পরিবর্তে প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কমিশন, যেখানে শিক্ষাবিদ, শিশু মনোবিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টও এই কমিশন গঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
সম্পাদকীয়টি সতর্ক করেছে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হবে না এবং সিদ্ধান্তহীনতার মাশুল ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দিতে হতে পারে।