ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সংঘাত বন্ধে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে হরমুজ প্রণালি। ইরানে হামলার পর তেহরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বন্ধ করে দেয় এবং কেবল নিজেদের অনুমতিতে কিছু জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেয়। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে সংকট দেখা দেয় এবং উপসাগরীয় দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হুমকি দিলেও ইরানকে প্রণালি খুলতে বাধ্য করতে পারেননি। ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়েও তারা প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে টোল আদায় করবে।
ওয়াশিংটন পাল্টা ইরানি জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে এবং বলেছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হলে তা প্রত্যাহার করা হবে না। তেহরান এ শর্তে আলোচনায় অস্বীকৃতি জানিয়ে পাকিস্তানের মাধ্যমে নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যেখানে পারমাণবিক ইস্যু বাদ দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প এ প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দুই মাস পর একটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার প্রণালি অতিক্রম করেছে, যা সীমিত নৌচলাচলের ইঙ্গিত দেয়।
রাশিয়া জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র আর স্বাধীন দেশগুলোর ওপর তার নীতি চাপিয়ে দেওয়ার অবস্থানে নেই।