আইএফআইসি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ গত আগস্ট শেষে ২৯ হাজার ৫৭২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৬৫.২৫ শতাংশ। জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ২৮ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা বা ৬৩.৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ দুই মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের ব্যবস্থায় দীর্ঘ গ্রেস পিরিয়ডে দেওয়া ঋণের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় সেগুলো খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের অধীনে বড় কোনো নতুন ঋণ বিতরণ হয়নি। অধিকাংশ ঋণখেলাপি পলাতক বা কারাগারে থাকায় ঋণ আদায়ের উদ্যোগ খুব বেশি সফল হয়নি। প্রতিবেদনে বেক্সিমকো, নাসা ও সিকদার গ্রুপ এবং ভুয়া নামে ঋণ নেওয়া ২৮টি প্রতিষ্ঠানের ঋণকে বড় খেলাপির উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২৮ প্রতিষ্ঠানের নেওয়া ১৩ হাজার ১৬৬ কোটি টাকার ঋণের পুরোটাই খেলাপি।
জুন শেষে ব্যাংকটির প্রভিশন ঘাটতি ছিল ২১ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা এবং মূলধন ঘাটতি ৭ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা। চলতি বছরের প্রথমার্ধে পরিচালন লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। তবে ব্যাংকের আমানত ৫৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আর্থিক সূচকের অবনতির মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকটিতে একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে।