চীনের জিনজিয়াং মরুভূমিতে নির্মাণাধীন বিশাল সামরিক স্থাপনার উপগ্রহচিত্র প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অষ্টভুজাকৃতির এই স্থাপনাটি একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রের পাশে গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে শত শত বাঙ্কার, ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চপ্যাড ও অন্যান্য সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বেইজিংয়ের কৌশলগত পারমাণবিক সক্ষমতা জোরদার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে পাল্টা আঘাতের সক্ষমতা ধরে রাখার পরিকল্পনার অংশ।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্থাপনাটির আশপাশে সেনাছাউনি, কমান্ড সেন্টার, সড়ক, রেললাইন ও বিমানঘাঁটি নির্মাণ করা হচ্ছে, যা এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সামরিক কমপ্লেক্সে পরিণত করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের হাতে এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা যুক্তরাষ্ট্রের বহু শহরে আঘাত হানতে সক্ষম, এবং নতুন অবকাঠামো এসব অস্ত্রকে সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যে তৈরি হচ্ছে।
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সামরিক তৎপরতা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পেন্টাগনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে চীন এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত গড়ে তুলতে চায়।