সামাজিক সুরক্ষার সঙ্গে উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির সমন্বয় ঘটাতে পারলে বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্বে অনুসরণযোগ্য মডেল হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের আঞ্চলিক সম্মেলনে তিনি এ মত দেন।
সম্মেলনে এশিয়ায় বৈষম্য কমানো এবং সরকারি সেবা ও সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে অভিন্ন সমৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। তিতুমীর বলেন, বিচ্ছিন্ন নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচির বদলে কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ ও করের আওতা সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত সমন্বিত সুরক্ষাব্যবস্থা গড়তে বাংলাদেশ উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁর উপস্থাপনায় বলা হয়, করোনা মহামারি ও আগের ব্যবস্থার দুর্বলতায় আনুমানিক ৭০ লাখ থেকে এক কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের শিকার হন।
তিনি বলেন, সমন্বয়হীন কর্মসূচিতে যোগ্য অনেকে বাদ পড়েন এবং অযোগ্যরাও সুবিধা পান। তাই জীবনচক্রভিত্তিক সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে কর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সহায়তাকে যুক্ত করার ওপর তিনি জোর দেন। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তৈরি পোশাকশিল্পে নারীর অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নারীদের কাছে সরাসরি সরকারি অর্থ পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও বলেন।