নিবন্ধটি বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরুর নয় মাস পর ক্ষমতার পরিবর্তন ইরানে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ও কংগ্রেসে ঘটেছে। এতে ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইরান-সংক্রান্ত কৌশলকে ব্যর্থ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখাটির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ, ইরান যুদ্ধ এবং ইসরাইল নীতির ওপর গণভোটে পরিণত হয়েছে; মঙ্গলবার কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা বড় জয় পেয়েছে।
লেখাটি দাবি করেছে, ইরানের প্রতিরোধক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করায় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বড় রাজনৈতিক মূল্য দিতে হয়েছে। ইরানে আগ্রাসনের ফলে রেকর্ড জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে বলেও এতে বলা হয়। মিশিগানে নবনির্বাচিত সিনেটর আল-সাইয়েদের জয়কে ইসরাইল বিষয়ে মার্কিন নীতির ওপর বড় গণভোট হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কংগ্রেসম্যান রো খান্নার ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি, নিঃশর্ত সামরিক সহায়তা বন্ধ এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির অবস্থানও উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন কংগ্রেসের অধীনে ট্রাম্প পরিবার ও তাদের সহযোগীদের আর্থিক সম্পর্ক কঠোর তদন্তের মুখে পড়তে পারে বলে নিবন্ধটি মনে করে। এতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিন্যান্সিয়ালের ৪৯ শতাংশ শেয়ার কিনতে ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোকে ট্রাম্পকেন্দ্রিক নিরাপত্তানীতির বদলে আঞ্চলিক জোট ও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চয়তার দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।