শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ খাত আধুনিকায়নে বৈশ্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন। শুক্রবার চীনের তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে ২০২৬ সালের বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতীয় বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ জোরদার এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নেও সহযোগিতা চান।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ জনগণ এবং মানবসম্পদ জাতীয় অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, টিভেট প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে কর্মসংস্থান, একাডেমিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগ এবং তরুণদের সম্ভাবনাকে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটালাইজেশন, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি ও সবুজ প্রযুক্তির কারণে শ্রমবাজার দ্রুত বদলাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ শিল্পচাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাঠ্যক্রম, শিক্ষকদের দক্ষতা হালনাগাদ, শিল্প-সংযুক্ত ব্যবহারিক শিক্ষা এবং জাতীয় যোগ্যতা কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ছে। চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী রেন ইউছুয়েনের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, যৌথ কর্মসূচি, বৃত্তি সম্প্রসারণ ও যৌথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সম্মত হয়।