জাতীয় সংসদের একজন সদস্যের লেখা মতামতধর্মী নিবন্ধে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বাংলাদেশে আইনপ্রণয়ন ও সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সংসদ কার্যকারিতা হারাচ্ছে কি না। লেখাটি সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদে সংসদের আইনপ্রণয়ন ক্ষমতা এবং ৫৫(৩) অনুচ্ছেদে সংসদের কাছে মন্ত্রিসভার যৌথ দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বাস্তব চর্চার সঙ্গে এসব দায়িত্বের দূরত্বের কথা বলেছে।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, কার্যপ্রণালি বিধিতে বিলের নোটিস, সদস্যদের কাছে কপি পৌঁছানো, বিতর্ক, সংশোধন, কমিটিতে পাঠানো এবং প্রয়োজনে জনমত যাচাইয়ের সুযোগ রয়েছে। বর্তমান সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ১১ দিনের ছিল এবং এ সময়ে ছয়টি বিল পাস হয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু সদস্যকে আলোচনার জন্য প্রায় এক মিনিট, অনুরোধের পর কোথাও দুই থেকে তিন মিনিট সময় দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
লেখক গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল বিলের ক্ষেত্রে কমিটিকে বাস্তবসম্মত সময়, প্রয়োজনীয় নথি ও অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিলের কপি আগে পৌঁছানো, পর্যাপ্ত বিতর্কের সময় এবং কমিটির ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। নিবন্ধের মতে, সংসদকে শুধু আইন পাসের নয়, গভীর যাচাইয়ের মাধ্যমে আইন তৈরির প্রতিষ্ঠান হতে হবে।