ভারতের ‘ডি কোম্পানি’র আদলে খুলনায় গড়ে উঠেছে ভয়ংকর অপরাধ নেটওয়ার্ক ‘বি কোম্পানি’। এর নেতৃত্বে রয়েছে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী বাবু ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’, যিনি ২০১০ সালের একটি হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, গত এক বছরে খুলনায় সংঘটিত ৬০টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে অন্তত ২১টির সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত এই গ্রুপ। আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রেনেড বাবু ‘নবাব’ ছদ্মনামে দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য ও শরবত বিতরণ করে নিজেকে ‘রবিনহুড’ হিসেবে প্রচার করছেন।
যৌথবাহিনীর অভিযানে তার বাড়ি থেকে অস্ত্র, গুলি, বিপুল অর্থ ও বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার হয়। পুলিশ জানায়, তার অনুসারীরা রূপসাকেন্দ্রিক এলাকায় সক্রিয়। সম্প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাংয়ের সঙ্গে সংঘর্ষ ও কয়েকজন চরমপন্থির মুক্তিতে জনমনে আতঙ্ক বেড়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা টিম বর্তমানে গ্রেনেড বাবু ও তার বাহিনীকে শনাক্ত করতে কাজ করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, ত্রাণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে থাকা এই মাফিয়া নেটওয়ার্ক উপড়ে ফেলা এখন খুলনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।