কাশ্মীর প্রশ্নে পাকিস্তানের পক্ষে তুরস্কের অবস্থান এবং ইসলামাবাদের সঙ্গে আঙ্কারার প্রতিরক্ষা ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও তুরস্কের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতা বজায় রাখতে চায় ভারত। মাদক পাচার দমন, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সম্পর্ক বাড়ানোর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক আগ্রহ রয়েছে নয়াদিল্লির। ইসলামী বিশ্বে প্রভাব বৃদ্ধি এবং ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রেও তুরস্ককে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে ভারত।
সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান। ভারত জবাবে বলে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এ বিষয়ে বাইরের কারও ভূমিকা নেই। ৭ আগস্ট তুরস্কের সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা সমঝোতায় যোগ দেওয়াও ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
অপরাধ দমনে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। তুরস্ক সম্প্রতি কথিত মাদক পাচারকারী নাভপ্রীত সিংকে ভারতে প্রত্যর্পণ করেছে, যাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঐতিহাসিক মাইলফলক বলেছেন। চার বছর বিরতির পর এপ্রিলে দুই দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের আলোচনা পুনরায় শুরু হয়; সেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, প্রযুক্তি, জ্বালানি, শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়।