দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন এলাকায় সারের সংকট ও কৃষকদের বিক্ষোভের মধ্যে মিয়ানমারে সার পাচার ঠেকাতে উপকূলজুড়ে ‘অপারেশন সার সুরক্ষা’ শুরু করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে গত দুই মাস ধরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় ঘাট থেকে মাছ ধরার ট্রলার ও কাঠের নৌকায় সার মিয়ানমারে নেওয়া হচ্ছে।
দামের বড় ব্যবধান পাচারের প্রধান উৎসাহ বলে সূত্র জানিয়েছে। দেশে ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়ার ডিলার পর্যায়ের দাম ১,২৫০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে ১,৩৫০ টাকা হলেও মিয়ানমারে তা প্রায় ৯,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন জানায়, জুলাই থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৫৫ টন সার জব্দ, ৯৫ জন চোরাকারবারি গ্রেপ্তার এবং ১৫টি মামলা করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, দুর্বল আইনের কারণে আটক ব্যক্তিরা অনেক ক্ষেত্রে সহজে ছাড়া পেয়ে যান।
২৫ সেপ্টেম্বর মিরসরাইয়ের ইছাখালী ঘাটে ৯৬০ বস্তা ইউরিয়া, চারটি ট্রাক ও একটি ফিশিং বোট জব্দ করা হয়। জব্দ সার নিলামে বিক্রি করে অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে; ট্রাক ও বোট প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোস্ট গার্ড উপকূলীয় ঘাটে টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সন্দেহভাজন নৌযানে তল্লাশি বাড়িয়েছে।