২০২৬ সালের ১২ মে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পুলিশ, ডিজিএফআই, এনএসআই ও র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে কার্যক্রমের ব্যাপক ওভারল্যাপ ও সমন্বয়হীনতা রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে একাধিক সংস্থা একই কাজ করছে, প্রযুক্তিগত টুলসের ইন্টার-অপারেবিলিটি নেই, ফলে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ডিজিএফআই কোনো আইনি ম্যান্ডেট ছাড়াই প্রেস অ্যান্ড পাবলিক মিডিয়া ব্যুরো ও পাবলিক রিলেশন মনিটরিং সেল পরিচালনা করে সংবাদ কনটেন্ট ও মিডিয়া ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলে।
প্রতিবেদনটি বলছে, এসব কার্যক্রম সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা দুর্বল করেছে এবং আইনি সীমার বাইরে রাজনৈতিক ও সামাজিক হস্তক্ষেপ বাড়িয়েছে। আনসার বাহিনীর মতো সহায়ক বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও বাজেট ঘাটতির কথাও এতে উল্লেখ করা হয়েছে। লেখক মনে করেন, বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনের মধ্যে কমান্ড কাঠামো স্পষ্ট না হওয়ায় সংকট তৈরি হচ্ছে।
তিনি পরামর্শ দেন, পুলিশকে ক্ষমতায়নের আগে সংস্থাগুলোর কার্যক্রমের ওভারল্যাপ দূর করে আইনি ম্যান্ডেট অনুযায়ী ভূমিকা নির্ধারণ করতে হবে, নইলে অদক্ষতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রপৃষ্ঠপোষক অপরাধ বাড়বে।