এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, অসম চুক্তি, ক্যাপাসিটি চার্জের বাধ্যবাধকতা এবং সরবরাহ-ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত ভারতীয় আদানি পাওয়ার ও দেশীয় বেসরকারি আইপিপিগুলোর ওপর অতিনির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, গ্রিডভিত্তিক মোট উৎপাদন সক্ষমতার ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশ আসে বেসরকারি আইপিপি থেকে। ঝাড়খণ্ডের আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের চুক্তিভিত্তিক ১,৪৯৬ মেগাওয়াট সরবরাহ জাতীয় বিদ্যুতের ৮.২ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার বিদ্যুৎ নিলেও বা না নিলেও কেন্দ্রগুলোকে নির্দিষ্ট ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়। গত দেড় দশকে অলস আইপিপি ও রেন্টাল কেন্দ্রকে এই খাতে ২ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে এতে দাবি করা হয়েছে। অন্য ভারতীয় উৎস থেকে গড়ে প্রতি ইউনিট ৯.৩৩ টাকায় বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও আদানির বিদ্যুতের খরচ ১৪.৮৬ টাকা বলা হয়েছে।
সামিট গ্রুপের অধীনে ১৭টির বেশি সচল কেন্দ্র ও ১,৬৬৪ মেগাওয়াটের বেশি সক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বদরূল ইমাম দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো এবং আইপিপি চুক্তি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেন। বিপ্পা সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, উদ্যোক্তারা চুক্তির বাইরে কোনো দাবি করেন না এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট প্রয়োজন।