ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির একটি অংশ আদালতে বাতিল হওয়ার পর বাংলাদেশ, ভারত ও চীনসহ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে নতুন বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের সেকশন ৩০১-এর আওতায় পরিচালিত এই তদন্তের লক্ষ্য বিভিন্ন দেশের উৎপাদন খাতে কাঠামোগত অতিরিক্ত সক্ষমতা ও তথাকথিত অন্যায্য বাণিজ্যচর্চা যাচাই করা। তদন্তে প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট দেশের পণ্যের ওপর নতুন আমদানি শুল্কারোপের সুযোগ পাবে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী গ্রীষ্মের মধ্যেই তদন্তের ফলাফল প্রকাশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ট্রাম্পের জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে একতরফাভাবে শুল্কারোপের ক্ষমতা সীমিত করা হয়। এর পর ট্রাম্প ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন এবং ভবিষ্যতে তা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ইঙ্গিত দেন। তদন্তের আওতায় ১৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থাকলেও কানাডা বাদ পড়েছে।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বাংলাদেশের নাম আসাটা অস্বস্তিকর হলেও বড় ঝুঁকি নয়। শ্রম অধিকার ও মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত অনেক বিষয় ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে। শিল্প নেতারা সরকারকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সম্ভাব্য ১৯ শতাংশের বেশি শুল্ক আরোপ এড়ানো যায়।