জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কলেজ, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ, কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। একটি গ্রাফিতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও তার মেয়েকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘাতের সূত্রপাত হলেও মূল কারণ হিসেবে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে দেখা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শিক্ষাবিদ ও প্রশাসকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এসব সংঘাত শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছে এবং জাতীয় রাজনীতিতেও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সহনশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে দুটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। জামায়াতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর হামলার নিন্দা জানায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের আহত হওয়ার ঘটনায় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দুঃখপ্রকাশ করেছেন। উভয় সংগঠনই সহনশীলতার আহ্বান জানিয়েছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।