চীন নিজস্ব প্রযুক্তিতে ইমার্শন ডিপ আল্ট্রাভায়োলেট বা ডিইউভি লিথোগ্রাফি মেশিনের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সাংহাই আইশেংনা ইলেকট্রনিক টেকনোলজি গ্রুপ প্রকল্পটির নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং বিভিন্ন চীনা লিথোগ্রাফি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে প্রযুক্তিটি উন্নয়ন করেছে। চীনা গবেষকেরা দেশীয় এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট বা ইইউভি প্রযুক্তি উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে থাকার দাবিও করেছেন।
উন্নত সেমিকন্ডাক্টর তৈরিতে লিথোগ্রাফি অপরিহার্য। দক্ষ প্রকৌশল কৌশলে ডিইউভি দিয়ে ৭ ন্যানোমিটার পর্যন্ত চিপ তৈরি সম্ভব হলেও ২, ৩ ও ৫ ন্যানোমিটারের প্রসেসরের জন্য ইইউভি প্রায় অপরিহার্য। এই বাজারে নেদারল্যান্ডসের এএসএমএলের কার্যত একচেটিয়া অবস্থান রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার পর চীন গবেষণা, উৎপাদন, যন্ত্রপাতি, উপকরণ ও জনবল উন্নয়নে কয়েক দশক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
২০২৩ সালে হুয়াওয়ের মেট ৬০ প্রোতে এসএমআইসি নির্মিত ৭ ন্যানোমিটার প্রসেসর পাওয়া যায় বলে বিশ্লেষণে উঠে আসে। চীন চিপ নকশা থেকে মেমোরি ও ফ্যাব্রিকেশন পর্যন্ত পূর্ণ ইকোসিস্টেম গড়ার চেষ্টা করছে; সিএক্সএমটি ও ওয়াইএমটিসিও অগ্রগতি দেখিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চিপ নকশায়, টিএমএসসি উৎপাদনে এবং এএসএমএল ইইউভিতে শীর্ষে রয়েছে।