ইসরাইলের অবরোধ ও যুদ্ধের প্রভাবে গাজায় স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসা ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। ১৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে অনেক রোগীর রোগ শনাক্ত হচ্ছে দেরিতে। চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর সময় অনেক নারীর ক্যানসার অগ্রসর পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।
যুদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী অবরোধের চাপে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিশেষায়িত রোগ নির্ণয় সেবার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। স্তন ক্যানসার শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ ম্যামোগ্রাফি মেশিনও নিয়মিত অচল হয়ে পড়ছে এবং যন্ত্রাংশ পাওয়া কঠিন। চিকিৎসক হালা আল-বুহাইসি বলেন, অনেক নারী জটিল বা অগ্রসর পর্যায়ে হাসপাতালে আসছেন, কারণ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবায় তাদের স্বাভাবিক প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, গাজায় প্রায় ১০ হাজার ক্যানসার রোগী রয়েছেন এবং প্রতিবছর দুই হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হন। সংস্থাটির গবেষণায় কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি ও রোগ নির্ণয়ের সরঞ্জামের ঘাটতির কথা উঠে এসেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও চিকিৎসাকর্মীর সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত ওষুধ, সরঞ্জাম ও বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত না হলে সংকট আরও ভয়াবহ হতে পারে।