যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে ইরানের মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র খেইবার শেকান নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফারসিতে এর অর্থ ‘দুর্গ ভেঙে ফেলা’ বা ‘ক্যাসল ব্রেকার’। ইরান দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানে সাম্প্রতিক হামলায় তারা এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের ভাষ্য অনুযায়ী, জর্ডানে একটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করেও এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২২ সালে প্রথম প্রকাশ্যে আনা হয়। এর পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার এবং ৪৪৯ থেকে ৫৯০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহনের সক্ষমতা রয়েছে। সলিড-ফুয়েল প্রযুক্তির কারণে উৎক্ষেপণের আগে দীর্ঘ সময় জ্বালানি ভরার প্রয়োজন হয় না। এতে দ্রুত প্রস্তুতি, তুলনামূলক সহজ সংরক্ষণ এবং কম লজিস্টিক সহায়তায় মোতায়েনের সুবিধা থাকে।
সূত্র অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ৩১ আগস্ট থেকে দক্ষিণ ইরানে আইআরজিসির স্থাপনায় হামলা শুরু করে। জবাবে ইরান জর্ডান, বাহরাইন, কুয়েত ও ইরাকের এরবিলে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার কথা জানিয়েছে। পাল্টাপাল্টি হামলায় আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেড়েছে এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়েছে।