ইসরাইলে আগামী ২৭ অক্টোবর ২০২৬ জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা, যা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর প্রথম জাতীয় ভোট। গাজা, লেবানন ও ইরানকে ঘিরে প্রায় তিন বছরের যুদ্ধের পর এই নির্বাচন দেশটির রাজনৈতিক পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোট এবং সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির—কোনোটিই ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছে নেই।
চ্যানেল ১৩-এর সাম্প্রতিক জরিপে নেতানিয়াহুবিরোধী ইহুদি দলগুলোর জন্য ৫২ আসন এবং নেতানিয়াহুর জোটের জন্য ৫১ আসনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জরিপে আইজেনকটের ইয়াশার পার্টি ২২ আসন ও নেতানিয়াহুর লিকুদ ১৮ আসন পেতে পারে। আইডিএফের সাবেক চিফ অব স্টাফ আইজেনকট গাজা যুদ্ধের সময় তাঁর ছেলে ও দুই ভাতিজাকে হারান। ৭ অক্টোবরের হামলার পর গঠিত নেতানিয়াহুর ঐক্য সরকারে তিনি প্রায় আট মাস ছিলেন।
আইজেনকট ইসরাইলি আরব নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী কয়েকটি দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করায় সরকার গঠনের হিসাব আরও জটিল হয়েছে। ভোটারদের আলোচনায় যুদ্ধনীতি, বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ, হারেদি অব্যাহতি এবং অর্থনীতি রয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্নের মধ্যে গত দুই বছরে খাদ্যের দাম ৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।