সরকারের ভেতরে কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন বলে ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকারের ছয় মাসের মূল্যায়ন ও মন্ত্রিসভা রদবদলে এর প্রতিফলন ঘটেছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থেকে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন। ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে সরানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকেও প্রভাবশালী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৩ জুন কক্সবাজারের এক সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাকে সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন। এ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এতে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের প্রভাবে পরিবর্তন হবে না।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনও প্রভাবশালী বলে বিবেচিত। রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োগের সুপারিশ নিয়ে বিরোধের প্রেক্ষাপটে ১ জুন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। পরে মন্ত্রণালয়টির দায়িত্ব পেয়েছেন বান্দরবানের এমপি সাচিং প্রু জেরী। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন; সেখানে আগে থেকেই প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রয়েছেন।