ইরানে মার্কিন-ইসরাইল হামলার পর জ্বালানির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় কোয়ান্টাস, এসএএস ও এয়ার নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন বিমান সংস্থা ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। এয়ার নিউজিল্যান্ড জানিয়েছে, জেট ফুয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫–৯০ ডলার থেকে বেড়ে ১৫০–২০০ ডলারে পৌঁছেছে, ফলে তারা ২০২৬ সালের আর্থিক পূর্বাভাস স্থগিত করেছে।
এসএএস জানিয়েছে, খরচ সামাল দিতে তারা সাময়িকভাবে টিকিটের দাম বাড়িয়েছে। কোয়ান্টাস মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ এড়িয়ে ইউরোপ রুটে উড়োজাহাজ সরানোর কথা ভাবছে। ফিনএয়ার তাদের প্রথম প্রান্তিকের জ্বালানির ৮০ শতাংশ আগেভাগে ক্রয় করলেও সতর্ক করেছে যে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানির প্রাপ্যতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। হংকং এয়ারলাইন্স ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত সারচার্জ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
তেলের দাম সাময়িকভাবে কমলেও বিমান সংস্থাগুলোর শেয়ার দামে ওঠানামা দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় ও আকাশসীমা সীমাবদ্ধতা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক ভ্রমণ শিল্প আরও সংকটে পড়বে।