বাংলাদেশে ভর্তুকিমূল্যের সরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার সাধারণ ভোক্তার কাছে না পৌঁছে অন্যত্র চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১,৮৩৭ টাকা হলেও সরকারি সিলিন্ডারের দাম ৭৭৭ টাকা। কিন্তু খোলাবাজারে এ সিলিন্ডার পাওয়া যায় না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বছরে ১৮ থেকে ২০ লাখ সিলিন্ডার ছাড়ার পরও এগুলো বেসরকারি সরবরাহ ব্যবস্থায় গিয়ে ২,০০০ থেকে ২,২০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলপি গ্যাস পিএলসির উৎপাদনের একটি অংশ সেনাবাহিনীর ব্যারাক, কোম্পানির কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও তালিকাভুক্ত ডিলারদের জন্য বরাদ্দ থাকে। দুর্নীতি দমন কমিশন ডিলারব্যবস্থায় ‘কাগুজে ডিলার’-এর অস্তিত্বের কথা বলেছে। তাদের অনুসন্ধানে কিছু অনুমোদিত ডিলারের বৈধ খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র বা গ্রাহক নেটওয়ার্ক না থাকার তথ্য এসেছে। সাম্প্রতিক অভিযানে একজন ডিলার ১০ থেকে ১৫ জনের অনুমতিপত্র ব্যবহার করে সিলিন্ডার তুলছিলেন বলেও জানানো হয়।
এলপি গ্যাস পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আমীর মাসুদ বলেন, জনবলের ঘাটতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও এশিয়াটিক অয়েলের ওপর নির্ভরশীল। তিনি ২৫ অক্টোবর মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে গণশুনানির কথা জানান। বাজার অংশগ্রহণ বাড়াতে মোংলায় মজুত ট্যাংক এবং টাঙ্গাইলে মজুত ও বোতলজাত প্ল্যান্টের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার কথাও তিনি বলেন।