বাংলাদেশের জনপ্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়োগ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক মডেল অনুসরণের প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের ১২টি সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনের শীর্ষ পদে সম্প্রতি বিএনপি নেতাদের নিয়োগ এই বিতর্ককে তীব্র করেছে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিস্তার, ঘুস-দুর্নীতি, অনিয়ম এবং নীতি বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা নিয়েও নীতিনির্ধারকদের অসন্তোষের কথা উঠে এসেছে।
সাভানা স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. সিরাজুল আই ভূইয়া বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক নিয়োগ হলেও সেখানে মেধা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং বহু পদের জন্য সিনেটের অনুমোদন লাগে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. ওয়াজেদ খানও যুক্তরাষ্ট্রে নীতিনির্ধারণী পদে ব্যাপক নিয়োগ ও জবাবদিহির প্রক্রিয়ার কথা বলেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারি মন্তব্য করতে অপারগতা জানালেও দক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার কথা বলেছেন।
সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার ঢালাও রাজনৈতিক নিয়োগকে প্রশাসনের জন্য বিতর্কিত বলে সতর্ক করেছেন। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সরকারি শীর্ষ পদে দলীয় নিয়োগকে উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে দলীয়করণের সংস্কৃতি অব্যাহত থাকার অভিযোগ করেন। প্রতিবেদনে সেবাগ্রহীতা ও বিশেষজ্ঞদের বরাতে ঘুস, ফাইল আটকে রাখা এবং প্রশাসনিক অদক্ষতা বহাল থাকার অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে।