অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গৃহহারা মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ২৮ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যার পানি নেমে গেলেও হাজারো পরিবারের ঘরে ফেরার পথ অনিশ্চিত রয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগে তাদের ভোগান্তি বাড়ছে এবং পুনর্বাসনের দাবি উঠেছে।
বাঁশখালীতে বিভিন্ন খাতে ক্ষতির পরিমাণ ২০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। বন্যায় ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে, ফসলের বীজতলা নষ্ট হয়েছে, পুকুর ও ঘেরের মাছ ভেসে গেছে এবং গ্রামীণ অবকাঠামো ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকায় ১২ হাজারের বেশি মাটির ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মো. জকরিয়া দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে খাদ্যসামগ্রী ও অর্থ বিতরণ করেছেন এবং টেকসই আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন স্থায়ী পুনর্বাসনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সহযোগিতা নেওয়ার কথা বলেন। প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতায় প্রস্তুত বলে জানান সহকারী কমিশনার ওমর সানি আকন।