ক্ষুদ্র ও খুচরা ব্যবসার ওপর নির্দিষ্ট হারে বা ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ আরোপের প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে বাংলাদেশ সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নির্দেশে অর্থ বিলটি আইন হিসেবে পাস হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব খোলা, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং বিকাশ-নগদের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যবসা শনাক্তকরণ নাম্বার (বিআইএন) বাধ্যতামূলক থাকবে।
বর্তমানে বছরে ৫০ লাখ টাকার বেশি টার্নওভার থাকা খুচরা ব্যবসাকে ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হয়, এর নিচের ব্যবসাগুলো ভ্যাটের বাইরে। নতুন বাজেটে ১ জুলাই থেকে টার্নওভার নির্বিশেষে সব খুচরা ব্যবসাকে ভ্যাটের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছিল, যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তারা আশঙ্কা করেছিলেন, এতে পরিচালন ব্যয় বাড়বে এবং ভ্যাট কর্মকর্তাদের হয়রানির ঝুঁকি তৈরি হবে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দিতে পারে এবং অনেক মাঝারি ব্যবসা সাধারণ ভ্যাটের পরিবর্তে প্যাকেজ ভ্যাটের সুবিধা নিতে পারে বলে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।