মতামতধর্মী একটি লেখায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বারবার যাত্রীসেবা ব্যর্থতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ১ অক্টোবর মদিনা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের লাগেজ পেতে প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা এবং ট্রলি সংকটের অভিযোগ আসে। চারজন সংসদ সদস্য লিখিত অভিযোগ দেন; বিমান দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার কথা জানায়। পরে বিমানবন্দরে উত্তেজনা তৈরি হয়ে ঘটনা মামলা পর্যন্ত গড়ায় বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে।
লেখাটিতে কাটা লাগেজ, মূল্যবান জিনিস হারানো এবং ফ্লাইটে দীর্ঘ সময় আটকে থাকা যাত্রীদের সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও উল্লেখ করা হয়। হজফেরত যাত্রীদের অভিযোগ নিয়ে বিমান ও সরকার বলেছিল, সিসিটিভি ও অন্য রেকর্ডে চুরির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে একই ধরনের অভিযোগ বারবার ওঠায় লাগেজের নিরাপত্তা নিয়ে যাত্রীদের আস্থা দুর্বল হয়েছে বলে এতে বলা হয়েছে।
লেখক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের হাতে সামগ্রিক যাত্রীসেবার জবাবদিহি, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষণ, লাগেজ ট্র্যাকিং, ক্যামেরা ও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দিয়েছেন। পাশাপাশি কর্মীদের প্রশিক্ষণ, বিলম্বিত লাগেজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া, ফ্লাইটসূচিভিত্তিক ইমিগ্রেশন জনবল এবং সেবার সূচক নিয়ে নিয়মিত জনসমক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে।