আল-জাজিরার উদ্ধৃত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযানের হুমকি দেওয়ার পর শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করেছেন। প্রতিবেদনে ২১ মার্চ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত পাঁচটি ঘটনার উল্লেখ করে ইরানকে লক্ষ্য করে তাঁর কঠোর সামরিক হুমকি এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা এই প্রেক্ষাপটে ‘ট্যাকো’ শব্দটি ব্যবহার করছেন, যার অর্থ ‘ট্রাম্প অলওয়েজ চিকেনস আউট’।
২১ মার্চ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত না হলে ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি দিয়ে ট্রাম্প সময়সীমা বাড়ান। ১ এপ্রিল ইরানকে বোমা মেরে ‘প্রস্তর যুগে’ পাঠানোর হুঁশিয়ারির পর তাৎক্ষণিক সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি ওয়াশিংটন। ৭ এপ্রিল একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংসের ঘোষণার পরদিন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয়।
৪ মে ‘অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণার দুই দিন পর সমঝোতার সম্ভাবনা যাচাইয়ের কথা বলে সেটি স্থগিত করা হয়। ১১ জুন খার্গ দ্বীপ দখল ও জ্বালানি খাত নিয়ন্ত্রণের হুমকির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আলোচনার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প অবস্থান বদলান। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধারাবাহিকতা সামরিক ক্ষেত্রে তাঁর কথার গুরুত্ব কমাবে কি না, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।