রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া অভিজ্ঞতার মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা সবাই আওয়ামী লীগপন্থি এবং দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ড. হারুন আর রশিদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর সনদ যাচাই শুরু করে বেশ কয়েকজনের নথিতে গরমিল পান।
রেজিস্টারের প্রতিবেদনে দেখা যায়, অভিযুক্তদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা ২০০৯ সাল থেকে জাল সনদ বা রাজনৈতিক সুপারিশে চাকরি পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, উপাচার্য শওকত আলী বিষয়টি জেনেও ব্যবস্থা নেননি। তবে উপাচার্য অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বিষয়টি দুদক তদন্ত করছে। রংপুর দুদকের উপপরিচালক শাওন মিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট যাচাই-বাছাই চলছে।
যাচাই শেষ হলে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে দুদক জানিয়েছে।