দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর সোমবার পার্লামেন্টে ভাষণ দিয়ে লোহিত সাগরে সমুদ্রবন্দর নিশ্চিত করার দাবি আবারও জানিয়েছেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। তিনি বলেন, ইথিওপিয়ার ‘সভ্যতার’ জন্য লোহিত সাগরে প্রবেশাধিকার জরুরি। দেওয়া-নেওয়ার নীতির ভিত্তিতে দেশের সমুদ্রপথ নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
১৯৯৩ সালে ইরিত্রিয়া স্বাধীন হওয়ার পর লোহিত সাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার হারায় স্থলবেষ্টিত ইথিওপিয়া। উত্তরাঞ্চলের তিগ্রেতে আবার লড়াই শুরুর পর আঞ্চলিক সম্পর্কও উত্তপ্ত হয়েছে। ইথিওপিয়া অভিযোগ করেছে, ইরিত্রিয়া, মিসর ও সুদান বিরোধী শক্তিগুলোকে সমর্থন করছে। ইরিত্রিয়া পাল্টা বলেছে, তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সাগরে প্রবেশের চেষ্টা করছে ইথিওপিয়া।
রোববার মিসরের নিউ আলামিনে মিসর, ইরিত্রিয়া, সুদান ও সোমালিয়ার প্রতিনিধিরা বলেন, লোহিত সাগর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কেবল উপকূলীয় দেশগুলোর। ইথিওপিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরে জানায়, আলোচনায় দেশটির বৈধ স্বার্থ ও দীর্ঘদিনের সংযোগ বিবেচনায় নেওয়া উচিত। সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, আনুষ্ঠানিক আলোচনা হলে সোমালি ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইথিওপিয়ার প্রবেশাধিকারে তাঁর দেশের আপত্তি নেই।