আসন্ন জাতীয় বাজেট ও ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। বৈঠকে ব্যাংক খাতকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় রাজস্ব, নিয়ন্ত্রণমূলক ও কাঠামোগত সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়। বিএবি নেতারা ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির দুর্বলতা, শাসন ব্যর্থতা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে জনআস্থা হ্রাসের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
বিএবি জানায়, ব্যাংকিং শিল্পের সামগ্রিক মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত প্রায় ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা শিল্প প্রবৃদ্ধি, এসএমই অর্থায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করছে। সংগঠনটি দ্রুত আইনি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া, অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানায়। প্রস্তাবিত ব্যাংকিং রেজোলিউশন কাঠামোর কিছু ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা, যা বড় ঋণখেলাপিদের পুনরায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফেরার সুযোগ দিতে পারে।
বৈঠকে কর্পোরেট কর ৩০ শতাংশে নামানো, ঋণ ক্ষতির পূর্ণ কর কর্তনযোগ্যতা, স্টক লভ্যাংশের অতিরিক্ত কর প্রত্যাহার, রাইটস শেয়ার অনুমোদন দ্রুত করা এবং একটি কেন্দ্রীয় অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিএবি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।