বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক কৃষকদের পুনরায় চাষাবাদে উৎসাহ দিতে সরকার বীজ প্রণোদনা কর্মসূচি নিয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাত জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে ৬১ হাজার ৭৪৭ জন কৃষক এ সহায়তা পাবেন। কর্মসূচিতে দুই কোটি ২৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং মোট তিন দশমিক ৮৭ টন বীজ বিতরণের কথা বলা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত প্রত্যেক কৃষক জমির পরিমাণ যা-ই হোক, এক বিঘার জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি বীজ পাবেন। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের কৃষি পুনর্বাসন কমিটি ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করে অতিপ্রান্তিক কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে। নিজস্ব সক্ষমতায় ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন এমন কৃষকদের প্রাথমিক তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে; সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, পরবর্তী প্রণোদনা কর্মসূচিতে বঞ্চিতরা অগ্রাধিকার পাবেন।
ডিএইর হিসাবে সাত জেলায় ৬৬ হাজার ২৩১ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকেরা বলছেন, বরাদ্দকৃত সহায়তা প্রকৃত ক্ষতির তুলনায় কম এবং নতুন আবাদে তাদের উচ্চ সুদের এনজিও ঋণের দিকে যেতে হচ্ছে। ডিএই বলেছে, কৃষক পুনর্বাসন, আমন আবাদ অব্যাহত রাখা, উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই কর্মসূচির লক্ষ্য।