বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা হামে শিশুমৃত্যু ও টিকার তীব্র সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। স্পিকার হাফিজ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি আলোচনায় তিনি স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা তুলে ধরেন। জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন স্বীকার করেন যে টিকার ঘাটতি ছিল, তবে সরকার এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
রুমিন অভিযোগ করেন, করোনা-পরবর্তী সময়ে নিয়মিত টিকাদানে বড় গ্যাপ তৈরি হয়েছে। টিকা পরিবহনকারীদের নয় মাসের বেতন বকেয়া থাকা এবং জনবল সংকটের কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তিনি জানান, ১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৯৮ জন এবং নিশ্চিতভাবে ১৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মন্ত্রী স্বীকার করেন যে পোর্টারদের বেতন বকেয়া ছিল এবং তা পরিশোধ শুরু হয়েছে। তিনি জানান, এডিবির অব্যবহৃত ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে ইউনিসেফের মাধ্যমে নতুন টিকা কেনা হচ্ছে, যার মধ্যে ৪১৯ কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন এবং ২০০ কোটি টাকার চালান পৌঁছেছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ১৮টি জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ৫ এপ্রিল থেকে জরুরি টিকাদান শুরু হয়েছে, ২০ মে থেকে সারাদেশে কর্মসূচি এবং ১২ এপ্রিল থেকে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের হিসাবে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৪১ জন এবং এখন টিকার মজুদ স্থিতিশীল।