কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির বারুইপুরে এক মুসলিম কিশোরীর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার প্রকাশিত ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিশোরীকে জীবিত অবস্থায়ই পানিতে ফেলা হয়েছিল, কারণ তার ফুসফুসে কাদা পানি পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে যৌনাঙ্গে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ও মাথায় গুরুতর ক্ষতের উল্লেখ রয়েছে। চিকিৎসকেরা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পানিতে ডুবে শ্বাসরোধকে সম্ভাব্য মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ময়নাতদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জবানবন্দি মিলিয়ে ঘটনার পুনর্গঠন করছে। ফুটেজে দেখা যায়, শনিবার বিকেলে সূর্যপুর বাজারে কিশোরীর পেছনে লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক হাঁটছে, যাকে স্থানীয়রা প্রভাস মণ্ডল হিসেবে শনাক্ত করেন। প্রভাস ও আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাঁদের বক্তব্যে অসঙ্গতি রয়েছে। প্রভাস দাবি করেছেন, আনন্দ সর্দার কিশোরীকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেছিলেন।
ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সম্প্রদায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে, বর্তমান সরকার মুসলিমদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে আচরণ করছে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রতিবাদকারীদেরও আটক করছে।