সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ প্রবাসী কার্ড চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে পারেন। বোয়েসেলের মাধ্যমে জর্ডানগামী কর্মীদের হাতে প্রথম কার্ড তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে; মালয়েশিয়া ও ব্রুনাইগামীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
আগামী বছরের জুনের মধ্যে তিন ধাপে দুই লাখ প্রবাসীকে কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্বোধনের দিন ৫০০ জনসহ প্রথম ধাপে ৫ হাজার, ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ হাজার এবং ২০২৭ সালের জুনে বাকি দেড় লাখ কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা আছে। কার্ডের ব্যয় বহন করবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ১০ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও জনতা ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং প্রশিক্ষণ, সফটওয়্যার ও প্রচারে ১০ কোটি টাকা অনুমোদনের তথ্য জানা গেছে।
কার্ডে বিমান ভাড়ায় ১০ শতাংশ, হোটেল বুকিংয়ে ৪১ শতাংশ এবং স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠালে ৩ থেকে সাড়ে ৩ শতাংশ প্রণোদনাও মিলতে পারে। প্রথমে জনতা ব্যাংকের পাঁচ বছর মেয়াদি ডেবিট কার্ড হিসেবে এটি দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ, ফিচার পর্যবেক্ষণ ও ব্যবহারকারী প্রশিক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন।