Web Analytics
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের মধ্যে ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির ৩৩ বছর পরও পূর্ণাঙ্গ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চুক্তিতে পর্যায়ক্রমিক শান্তি প্রক্রিয়ার কথা ছিল এবং জেরুজালেম, ফিলিস্তিনি শরণার্থী, ইসরাইলি বসতি ও সীমান্তসহ স্থায়ী মর্যাদার বিষয়গুলোতে ১৯৯৯ সালের মে মাসের মধ্যে সমঝোতার প্রত্যাশা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, দখলদারত্ব আরও সহিংস, বিস্তৃত ও কঠোর হয়েছে।

মূল অসলো নথিতে ‘রাষ্ট্র’ শব্দটি নেই; সেখানে ফিলিস্তিনিদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন স্বশাসনের কথা বলা হয়েছে। এই কাঠামো থেকেই ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়, যা শুরুতে স্বাধীনতার পথে সেতু হিসেবে বিবেচিত হলেও পরে এর ক্ষমতা সংকুচিত হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, পিএ ইসরাইলি নিরাপত্তা কাঠামোকে সহায়তা করে এবং স্থানীয় প্রতিরোধ দমনে ভূমিকা রাখে। দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারী আটক ও দমন-পীড়নের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে অসলো চুক্তির প্রতিশ্রুতির বিপরীত হিসেবে তুলে ধরেছে। এতে দীর্ঘদিনের ইসরাইলি অবরোধ ও ধ্বংসাত্মক অভিযানের কথা বলা হয়েছে। নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও স্লোভেনিয়াসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করলেও সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ ছাড়া তা অর্থহীন বলে মন্তব্য করা হয়েছে। উৎসে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদসহ প্রধান শক্তিগুলোর কাছে অসলো কাঠামো পুনর্মূল্যায়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে পুনর্লিখনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।