বিদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের বলে বর্ণিত ব্যক্তিদের ওপর কথিত হামলার ঘটনায় দূতাবাসের সরাসরি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ আইনি সীমাবদ্ধতায় কম বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তারা বুধবার আমার দেশকে বলেন, আইনি প্রতিকার পেতে ভুক্তভোগীকেই সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী অভিযোগ করতে হবে; বাংলাদেশ মিশন প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পারে। প্রতিবেদনে রাজনীতিক, কর্মী ও অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনসহ কয়েকজনের ওপর হামলার ঘটনার উল্লেখ আছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গালিগালাজ, পানি ছিটানো বা ডিম নিক্ষেপের মতো কিছু হেনস্তার ঘটনায় মামলা করার সুযোগ নাও থাকতে পারে, তবে শারীরিক হামলা দণ্ডনীয় অপরাধ। বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক নোট পাঠিয়ে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও তারা জানান। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এবং অনেকে মিশনগুলোর কার্যকর পদক্ষেপের অভাবের অভিযোগ করেছেন।
সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর ইতালির মেস্ত্রের একটি পার্কে বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় পুলিশ তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় এবং দূতাবাসের সহায়তায় তিনি থানায় আনুষ্ঠানিক মামলা করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জোরালোভাবে তোলা হবে। প্রতিবেদনে রোম, লন্ডন, নিউ ইয়র্ক ও জেনেভার আগের কয়েকটি ঘটনার কথাও বলা হয়েছে, যার অনেকটিতে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে মামলা হয়নি।