ফিলিস্তিনি বিভিন্ন সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা-সংক্রান্ত কথিত শান্তি ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছে। ৩১ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে তারা ওই দাবিকে ভুল এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বর্ণনা করে। তাদের অবস্থান হলো, গাজায় অস্ত্র হস্তান্তর বা নিরাপত্তাবিষয়ক কোনো ব্যবস্থা বিবেচনার আগে ইসরাইলি বাহিনীকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে হবে এবং আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।
ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা বলেন, আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হলেও ট্রাম্প যে ধরনের সমঝোতার কথা বলেছেন, তা চূড়ান্ত হয়নি। গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা ও অবরোধ প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ এবং যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে মৌলিক মতপার্থক্য রয়ে গেছে। ট্রাম্প আগে বলেছিলেন, তাঁর উদ্যোগে সশস্ত্র ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ ও ধাপে ধাপে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা হয়েছে।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, মিসর, কাতার ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে এবং প্রক্রিয়াটি গাজার নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর পথ খুলবে। তবে ফিলিস্তিনি পক্ষ বলছে, অস্ত্রের প্রশ্নটি প্রাথমিক শর্ত নয়; ইসরাইল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে কি না তার ওপর তা নির্ভর করবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল নিরস্ত্রীকরণকে সেনা প্রত্যাহারের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখছে, আর ফিলিস্তিনি পক্ষ সেনা প্রত্যাহারকে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে চাইছে।