রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের ওপর হামলার অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলি আদালতে মামলাটি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অফিসে প্রবেশ, মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত এবং ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২৭ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় জিএসের ২০২ নম্বর অফিসে ঘটনা ঘটে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পাঁচ অভিযুক্ত লোহার রড, বাঁশ ও লাঠিসহ অফিসে ঢুকে আম্মারকে মারধর করেন এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি করেন।
হামলার প্রতিবাদ করতে গেলে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব এবং মেহেদীও আহত হন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নাজমুস সাকিবের ডান হাতে রডের আঘাতে এবং মেহেদীর বাম কানে লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত জখমের অভিযোগ রয়েছে। রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, আদালত মামলা গ্রহণ করেছে এবং এটি পিবিআই তদন্ত করছে।