নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ঢাকার বাজার ও শপিংমলগুলোতে ক্রেতাসংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দোকানিরা। নিউ মার্কেট, গাউছিয়াসহ আশপাশের বাজারে ক্রেতা কম থাকায় বিক্রি তীব্রভাবে কমেছে। ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও কর্মচারীর বেতন মেটাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা হিমশিম খাচ্ছেন; অনেকে ব্যয় কমাতে কর্মী ছাঁটাই করছেন।
নূর ম্যানশন মার্কেটের বি প্লাস লিমিটেডের পরিচালক মো. মোবারক বলেন, তাদের দৈনিক বিক্রি দেড় থেকে দুই লাখ টাকা থেকে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় নেমেছে, যা প্রায় ৭০ শতাংশ কম। ২০ জন সেলসম্যানের মধ্যে ১০ জনকে ছাঁটাই করা হয়েছে। লোডশেডিংয়ের সময় জেনারেটরের জ্বালানি খরচ কমাতে সন্ধ্যার আগেই শোরুম বন্ধ করা হচ্ছে। আফরা কালেকশনের স্বত্বাধিকারী মো. শরিফ বলেন, অনেক ক্রেতা পণ্য দেখে ও দাম জেনে কিনে না ফিরছেন।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি সহজ শর্তে স্বল্পসুদের ঋণের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, উচ্চ সুদ, জামানত, কাগজপত্র ও ব্যাংকের কঠোর শর্তে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের বাইরে থাকছেন। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী খুচরা বাণিজ্য মন্দা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে চাপ বাড়াতে পারে।