মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব ও কুয়েত। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এসব হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও নৌচলাচলের স্বাধীনতার জন্য হুমকি। তারা অভিযোগ করে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ, ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সনদ ও সুপ্রতিবেশী আচরণের নীতি লঙ্ঘন করেছে। যদিও সৌদি আরব সরাসরি লক্ষ্যবস্তু ছিল না, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় একটি সৌদি তেল ট্যাঙ্কার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এসব হামলা বিপজ্জনকভাবে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এই পরিস্থিতি কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করবে যা শান্তিপূর্ণভাবে সংকট সমাধানের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। কুয়েত আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের অধীনে তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানায়, তারা বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান, কাতার ও ওমানে হামলা চালিয়েছে, আর সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহতের দাবি করেছে।