ছাত্রদল নেতা নূরে আলম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিয়ে অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালের এপ্রিলে সাদাপোশাকের লোকজন তাঁকে নীলফামারীর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গুম ও নির্যাতন করে। নীলফামারী সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের এই শিক্ষার্থী মঙ্গলবার ডিজিএফআইয়ের কথিত গোপন বন্দিশালা বা আয়নাঘরে গুম ও নির্যাতনের মামলায় সপ্তম সাক্ষী হিসেবে দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্য দেন।
নূরে আলম বলেন, তাঁকে প্রথমে একটি ছোট সেলে রাখা হয়, যার অবস্থান তিনি পূর্ব কাফরুলের আশপাশে বলে ধারণা করেন। পরে ফ্যানের পাদানিতে ‘র্যাব-৪’ লেখা দেখে তিনি সেখানে আটক থাকার কথা বুঝতে পারেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, বিএনপির রাজনীতি ও ফেসবুকের লেখালেখি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁকে মারধর, রশিতে ঝুলিয়ে নির্যাতন এবং দীর্ঘ সময় হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়; অসুস্থ হলেও চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, তাঁকে র্যাব-১০-এ নেওয়া হয় এবং পরে একটি স্থানে মিথ্যা জঙ্গি উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মিথ্যা মামলায় ১১ মাস কারাভোগ করেন এবং উচ্চ আদালতের আদেশে বর্তমানে জামিনে মুক্ত। জড়িতদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি।